Super Expert

G.K- সৌরমণ্ডলের নানা কথা

  • 0

(১) পৃথিবী কিভাবে সৃষ্টি হল?

(২)  সূর্যগ্রহণ কাকে বলে?

(৩) চন্দ্রগ্রহণ কাকে বলে?

(৪) কোন তারা বা  নক্ষত্রের উদয় এবং অস্ত নেই?

(৫)  চাঁদের কলঙ্ক আসলে কি?

7 Answers

  1. সবকিছুর মতো ঘুরছে ধ্রুবতারাও। কিন্তু এই তারাটি পৃথিবীর অক্ষের ওপর এর ঘূর্ণনের সঙ্গে একই গতিতে সামাঞ্জস্যপূর্ণভাবে আবর্তিত হয়। যে কারণে আপাত দৃষ্টিতে পৃথিবী থেকে ধ্রুবতারাকে মনে হয় নিশ্চল। এ কারণেই মনে হয় ধ্রুবতারার উদয় নেই, অস্ত নেই, গতি নেই। পৃথিবীর সবদেশ থেকেই একমাত্র ধ্রুবতারাকে সারাবছরই আকাশের উত্তরে নির্দিষ্ট স্থানে দেখা যায়। আর এই তারাকে চিনতে পারলেই উত্তর দিকের সন্ধান পাওয়া যায়, যা থেকে অন্য সকল দিকের সন্ধান পাওয়া যায়। আমাদের বাংলাদেশের আকাশে ধ্রুবতারাকে বেশি উঁচুতে দেখা যায় না। ঢাকা থেকে ধ্রুব তারার উচ্চতা ২৩ ডিগ্রি ৪৩ মিনিট। দিগ্বলয় থেকে আকাশের প্রায় চারভাগের একভাগ উঁচুতেই এই তারাটির মতো উজ্জ্বল আর কোনো তারা নেই বলে একে চিনতে বিশেষ অসুবিধা হয় না। তবে বাংলাদেশ থেকে যতই উত্তরে যাওয়া যাবে, ধ্রুবতারা ততই ওপরে দেখা যাবে। ধ্রুবতারাকে চিনতে গেলে প্রথমে সপ্তর্ষি মণ্ডল চেনা দরকার। মার্চ এপ্রিল মাসে আকাশের উত্তর-পূর্ব দিকে দ্বিতীয় শ্রেণীর সাতটি তারা এবং আশেপাশের আরো কয়েকটি তারা নিয়ে গ্রীকরা একটি বিরাট ভাল্লুকের কল্পনা করে থাকে। যে কারণে একে তারা ডাকতো বৃহৎ ভাল্লুক মন্ডল বা ‘উরসা মেজর’। হিন্দু জ্যোতিষশাস্ত্রে এখানে একটি ময়ুরের কল্পনা করা হয় এবং এই সাতটি তারাকে সাতটি ঋষি মনে করা হয়, যে কারণে আমাদের ভাষায় একে সপ্তর্ষি মণ্ডল বলা হয়। আমেরিকাতে এই সাতটি তারা দিয়ে একটি হাতলওয়ালা চারকোণা পেয়ালার কল্পনা করা হয় এবং এই মন্ডলটি সে দেশে ‘গ্রেট ডাইপার’ নামে পরিচিত। কোনো কোনো দেশে এই সাতটি তারা দিয়ে একটি লাঙ্গলের কল্পনা করা হয়। যা হোক, এই সাতটি তারা দিয়ে আকাশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তারকামন্ডল এবং ধ্রুবতারা পাওয়া যায়। সাতটি তারা দিয়ে যে হাতাওয়ালা পেয়ালা কল্পনা করা হয় সেই পেয়ালার হাতলের উল্টোদিকে যে দুটো তারা পাওয়া যায় সেই দুটো তারার উত্তর দিকে ওপরের তারাটি হল ধ্রুবতারা। এই দুটো তারার দূরত্ব হল ৫ ডিগ্রি করে। আর সেখান থেকে ধ্রুবতারার দূরত্ব হল ৩০ ডিগ্রি। এছাড়া পেয়ালার হাতলের তিনটি তারা যে বৃত্তচাপ গঠন করে সেই বৃত্তচাপটিকে পাঁচগুণ বাড়িয়ে দিলে বুটিস মন্ডলের প্রথম তারাটি পাওয়া যায়। এই উজ্জ্বল তারাটি আমাদের দেশে স্বাতী নক্ষত্র নামে পরিচিত। এছাড়া পেয়ালার হাতলের সোজাসুজি নিচের দিকে আসলে যে উজ্জ্বল তারাটি পাওয়া যায় সেটি হল সিংহ রাশির প্রধান তারা মঘা নক্ষত্র। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা, পৃথিবীর প্রথম থেকে একটি তারকাই কখনো ধ্রুবতারা রূপে বিরাজ করেনা। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন তারা উত্তর মেরুর নিকটে থেকে ধ্রুবতারা রূপে বিরাজ করেছে। এবং এই তারাগুলো প্রায় ২৬০০০ বছরের জন্য একটি বৃত্তাকার গতিপথে ভ্রমণ করার সময় পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান হয়। তবে ধ্রুবতারার ইতিহাস এখনো সেভাবে সঠিকরূপে কেউ নির্ণয় করতে পারেনি। কোনো সভ্যতার ইতিহাস থেকেও তেমন কোনো সংকেত মেলেনি, যে কারণে এখনো পর্যন্ত ধ্রুবতারার নিশ্চলতার কারণ আবিষ্কৃত হলেও এর ইতিহাস সম্পর্কে তেমন নির্দিষ্ট করে কিছু বলা কঠিন।

    • 2
  2. চন্দ্রগ্রহণ

    আমরা সবাই জানি, চাঁদ যেমন পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরছে তেমন পৃথিবীও সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। এইভাবে একটা সময় চাঁদ, সূর্য, পৃথিবী ঘুরতে ঘুরতে এক সরলরেখায় আসে।

    পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ
    যখন এই সরলরেখায় পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্যের মধ্যে আসে, তখন পৃথিবীর ছায়ার জন্য চাঁদে সূর্যের আলো পৌঁছায় না, ফলে চাঁদকে তখন কিছু সময়ের জন্য দেখা যায় না। অর্থাৎ পৃথিবী পৃষ্ঠের কোন দর্শকের কাছে চাঁদ আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে কিছু সময়ের জন্য অদৃশ্য হয়ে যায়। তখন একে সংক্ষেপে চন্দ্রগ্রহণ বলে।

    এই সময় পৃথিবী, সূর্যকে আংশিক ঢেকে নিলে পৃথিবীর জন্য চাঁদকে আংশিক দেখা যায় না একে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ বলে। আর পৃথিবী সূর্যকে পুরোপুরি ঢেকে নিলে পৃথিবীর জন্য চাঁদকে পুরোপুরি দেখা যায় না একে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ বলে। চাঁদের তুলনায় পৃথিবীর ব্যাস অনেক বেশি হওয়ায়, পৃথিবীর ঐ ব্যাসের পথ অতিক্রম করতে চাঁদের অনেকটা সময় লাগে। এই জন্য সূর্যগ্রহনের স্থায়ীত্ত্ব কয়েক মিনিট হলেও চন্দ্রগ্রহণের স্থায়ীত্ত্ব ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে।

    • 1
  3. সূর্যগ্রহণ

    চাঁদ যখন পরিভ্রমণরত অবস্থায় কিছু সময়ের জন্য পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে পড়ে, তখন পৃথিবীর কোন দর্শকের কাছে সূর্য আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে অদৃশ্য হয়ে যায় (কিছু সময়ের জন্য)। এই ঘটনাকে সূর্যগ্রহণ বলা হয়। অমাবস্যার পরে নতুন চাঁদ উঠার সময় এ ঘটনা ঘটে। পৃথিবীতে প্রতি বছর অন্তত দুই থেকে পাচঁটি সূর্যগ্রহণ পরিলক্ষিত হয়। এর মধ্যে শূন্য থেকে দুইটি সূর্যগ্রহণ পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হয়।

    পূর্ণ সূর্যগ্রহণের জ্যামিতিক চিত্র।

    ১৯৯৯’র সূর্যগ্রহণ এর সময়কার চিত্র।
    ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯ শেষ সূর্যগ্রহণ হয়। এইদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হয় এবং রিং অফ ফায়ার তৈরি হয়। আরব ভূখণ্ড থেকে শুরু করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত সূর্যগ্রহণ পরিলক্ষিত হয়।

    • 1
  4. পৃথিবীর ইতিহাস বলতে পৃথিবী নামক গ্রহটির উৎপত্তি থেকে আরম্ভ করে বর্তমান সময় পর্যন্ত সমগ্র সময়কালকেই বোঝানো হয়। অতীতের মূল ঘটনাগুলোর সম্পর্কে বুঝতে প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের সমস্ত শাখাই মানুষকে সাহায্য করেছে। পৃথিবীর বয়স মহাবিশ্বের বয়সের কমবেশি এক তৃতীয়াংশ । এই বিপুল সময়ের মধ্যে অজস্র ভূতত্ত্বীয় পরিবর্তন পৃৃথিবীতে ঘটে গেছে, জীবনের উদ্ভব হয়েছে এবং সেই জীবনে এসেছে বিবর্তন।

    পৃথিবীর সৃষ্টি সম্পর্কে কেউ সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। সম্পাদনা
    পৃথিবী সৃষ্টির শুরুর দিকে কোনো পাথর টিকে নেই, তাই সঠিক করে বলা সম্ভভ নয় কখন পৃথিবীর সৃষ্টি হয়েছিল। তবে ধারণা করা হয় সৌরজগৎ সৃষ্টির মোটামুটি ১০০ মিলিয়ন বছর পর একগুচ্ছ সংঘর্ষের ফল হলো পৃথিবী। আজ থেকে ৪.৫৪ বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবী নামের গ্রহটি আকৃতি পায়, পায় লৌহের একটি কেন্দ্র এবং একটি বায়ুমণ্ডল।

    পৃথিবী-চাঁদ সংঘর্ষ সম্পাদনা
    “থিয়া” নামের মোটামুটি মঙ্গলের আকৃতির একটা গ্রহাণুর সাথে সংঘর্ষ হয় পৃথিবীর। পৃথিবী মোটামুটি আস্তই থাকে কিন্তু বায়ুমণ্ডল উবে যায় আর ধ্বংস হয়ে যায় এই গ্রহাণুটি। এর ধ্বংসাবশেষ থেকে তৈরি হয় চাঁদ।

    গলিত লাভার সমুদ্র সম্পাদনা
    থিয়ার সাথে সংঘর্ষের ফলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পৃথিবী। গলিত লাভার টগবগ করতে থাকা সমুদ্র চারিদিকে। শুক্র গ্রহের অবস্থা এখন যেমন, তখন পৃথিবীর অবস্থা ছিলো তেমন। আস্তে আস্তে ঠাণ্ডা হয় পৃথিবী, লাভা জমাট বেঁধে তৈরি করে পাথর আর পানি জমতে শুরু করে পৃথিবীর প্রথম সাগরে। এ সময়ে তৈরি হয় পৃথিবীর প্রাচীনতম খনিজ, জিরকন। এদের বয়স মোটামুটি ৪.৪ বিলিয়ন বছর।

    প্রথম মহাদেশ সম্পাদনা
    এখন পৃথিবীর বিভিন্ন মহাদেশ বসে আছে অতিকায় সব টেকটোনিক প্লেটের ওপরে। আদিম টেক্টোনিক প্লেট ছিলো অনেক ছোট। এদের মাঝে অনেক সময়ে প্রচুর পরিমাণে স্বর্ণ- রৌপ্যের মতো দামি ধাতু পাওয়া যায়। আজ থেকে প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে তৈরি হয়েছিলো প্রথম এসব মহাদেশ।

    প্রাণের প্রথম নিঃশ্বাস সম্পাদনা
    মোটামুটি ৩.৫ বিলিয়ন বছর আগে সালোকসংশ্লেষণ থেকে আসে প্রথম অক্সিজেন। পাথরের ওপরে জন্মানো সায়ানোব্যাকটেরিয়া বা নীলচে সবুজ শ্যাওলা থেকে প্রথম অক্সিজেন আসে। তবে এটা আসলে ভালো কিছু করেনি। এই অক্সিজেনের উপস্থিতির কারণে এমন কিছু ব্যাকটেরিয়া মরে যায় যারা অক্সিজেন এর উপস্থিতি সহ্য করতে পারে না। এভাবে ২.৪ বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে অক্সিজেন অনেক বেশি বেড়ে যায় যাকে বলা হয় “Great Oxygenation Crisis”।

    নিরুপদ্রব এক বিলিয়ন বছর সম্পাদনা
    প্রথম মহাদেশ তৈরি হবার পর এক বিলিয়ন বছর তেমন কিছুই হয়নি পৃথিবীতে। একেবারে একঘেয়ে একটা সময় গেছে। মহাদেশগুলো আটকে ছিলো একটা ট্রাফিক জ্যামে অর্থাৎ তেমন একটা নড়াচড়া করেনি। প্রাণের তেমন কোন উন্নতিও ঘটেনি এ সময়ে।

    মহা-মহাদেশ সম্পাদনা
    মহা-মহাদেশের মাঝে একটি হলো প্যানগায়া।প্যানগায়ার মাধ্যমে অখণ্ড মহাদেশটি বিভক্ত হয়ে তৈরী করে অনেকগুলো মহাদেশ।এখনো বিভিন্ন পর্বতমালা দেখে গবেষকেরা বের করতে পারেন ঠিক কিভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকা একত্রে যুক্ত থেকে এসব বিশাল মহা-মহাদেশের সৃষ্টি করেছিলো।

    ভয়ংকর শীতকাল সম্পাদনা
    ৭৫০ মিলিয়ন বছর আগে হঠাৎ করেই একটা বড় মহাদেশ অন্যদের থেকে আলাদা হয়ে বের হয়ে যায়। এ সময়ে পৃথিবী একেবারে ঠাণ্ডা হয়ে একটা বিশাল বরফের গোলায় রূপান্তরিত হয়। এ সময়ে হিমবাহ দিয়ে ঢাকা ছিলো ভূপৃষ্ঠ। এমনকি বিষুবীয় অঞ্চলেও ছিলো হিমবাহ।

    প্রাণের বিস্ফোরণ সম্পাদনা
    ৬৫০ মিলিয়ন বছর আগে বায়ুমণ্ডলে আবারো বাড়তে শুরু করে অক্সিজেন এবং এ সময়ে বিভিন্ন প্রাণীর উদ্ভব হতে থাকে। এককোষী প্রাণীর পাশাপাশি এসে পড়ে বহুকোষী প্রাণী। এই সময়সীমার মাঝেই শিকার এবং শিকারির উদ্ভব হয়।

    প্রাণীজগতের বিলুপ্তি সম্পাদনা
    পৃথিবীর ইতিহাসে সবচাইতে বড় বিলুপ্তির ঘটনা ঘটে আজ থেকে ২৫২ মিলিয়ন বছর আগে পারমিয়ান পিরিয়ডে। মাত্র ৬০ হাজার বছরের মাঝে প্রায় ৯০ শতাংশ জীবের বিলুপ্তি ঘটে। ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে ক্রেটেশাস পিরিয়ডে বিলুপ্তি ঘটে ডায়নোসর সহ ৮৫ শতাংশ জীবের। পারমিয়ান পিরিয়ডে এই বিলুপ্তির কারণ ছিলো সাইবেরিয়ায় এক বিশাল অগ্ন্যুৎপাত। পরিবেশ পরিবর্তনের কারণেও বিলুপ্তি ঘটতে দেখা গেছে। ৪৫০ মিলিয়ন বছর আগে বড়সড় একটা তুষার যুগের কারণে বিলুপ্তি ঘটে ৭৫ শতাংশ জীবের।

    বরফ যুগ সম্পাদনা
    পাঁচটি বড় বরফ যুগ দেখা যায় পৃথিবীর ইতিহাসে। আপনি কি জানেন, এখনও আমরা একটি বরফ যুগের মাঝে বাস করছি? আজ থেকে প্রায় ১১,৫০০ বছর আগে শুরু হয়েছিলো এই বরফ যুগ।

    প্লাস্টিক যুগ? সম্পাদনা
    বর্তমান সময়ে প্লাস্টিকের এতো বেশি আবর্জনা জমে গেছে যে অনেক বিজ্ঞানী একে প্লাস্টিক যুগ বা প্লাস্টিসিন পিরিয়ড বলে আখ্যা দিচ্ছেন। এসব প্লাস্টিকের কিছু আবার নতুন এক ধরনের পাথরেও রূপান্তরিত হয়েছে। আজ থেকে মিলিয়ন বছর পরেও এসব প্লাস্টিকের চিহ্ন পাওয়া যাবে পৃথিবীর বুকে।

    • 1
  5. চাঁদ যেমন পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরছে তেমন পৃথিবীও সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। এইভাবে একটা সময় চাঁদ, সূর্য, পৃথিবী ঘুরতে ঘুরতে এক সরলরেখায় আসে।
    যখন এই সরলরেখায় পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্যের মধ্যে আসে, তখন পৃথিবীর ছায়ার জন্য চাঁদে সূর্যের আলো পৌঁছায় না, ফলে চাঁদকে তখন কিছু সময়ের জন্য দেখা যায় না। অর্থাৎ পৃথিবী পৃষ্ঠের কোন দর্শকের কাছে চাঁদ আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে কিছু সময়ের জন্য অদৃশ্য হয়ে যায়। তখন একে সংক্ষেপে চন্দ্রগ্রহণ বলে।

    • 0
  6. আসলে চাঁদের গায়ে বেশ বড় বড় গর্ত আছে। সূর্যের আলো সেই গর্তে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে পৃথিবী থেকে যে চাঁদের আলো আমরা পাই, তাতে কালো দাগ থেকে যায়। এগুলোকেই আমরা বলি চাঁদের কলঙ্ক।

    • 0
  7. সূর্যগ্রহণ:—

    চাঁদ যখন পরিভ্রমণরত অবস্থায় কিছু সময়ের জন্য পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে পড়ে, তখন পৃথিবীর কোন দর্শকের কাছে সূর্য আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে অদৃশ্য হয়ে যায় (কিছু সময়ের জন্য)। এই ঘটনাকে সূর্যগ্রহণ বলা হয়। অমাবস্যার পরে নতুন চাঁদ উঠার সময় এ ঘটনা ঘটে। পৃথিবীতে প্রতি বছর অন্তত দুই থেকে পাচঁটি সূর্যগ্রহণ পরিলক্ষিত হয়। এর মধ্যে শূন্য থেকে দুইটি সূর্যগ্রহণ পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হয়।

    • 0

You must login to add an answer.